Thursday, October 18, 2012

সুরা মুমিনুন



এটা পুরোটাই মাক্কি। মাক্কি যুগের মাঝামাঝি সময়ে এটা নাযিল হয়।
সুরাতে মূলত তাওহীদ ও আখিরাতের দাওয়াত দেওয়া হয়। এবং মুমিনদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে এই বৈশিষ্ট্য অর্জনের তাগিদ দেয়া হয়।
১। তাওহিদের দাওয়াতঃ
     তাওহিদের দাওয়াতের ক্ষেত্রে আগের মতই আল্লাহ তার নিদর্শন ও নিয়ামত গুলো বর্ণনা করেন।
     নিদর্শনঃ
           ক। সাধারণ বীর্য থেকে রক্তপিণ্ড, রক্তপিণ্ড থেকে মাংসপিণ্ড। তারপর হাড় গঠন, তারপর তাকে মাংস দিয়ে আবৃতকরণ। এভাবে একটা নির্দিষ্ট ধারা মোতাবেক মানুষকে তৈরি কি স্বত্তা ছাড়া এমনিতে সম্ভব?
           খ। দিনের পর রাত, রাতের পর দিন, সবকিছুই একটা sequence maintain করছে। কোন জায়গায় যদি একজন নিয়ন্ত্রক না থাকে, সেই জায়গায় কি Law and order বজায় থাকে? তাহলে তোমরা কেন মনে করছ বিশ্বজগতের একজন নিয়ন্তা নেই?
     নিয়ামতঃ
           ক। আকাশ থেকে পানি বর্ষণ, তা থেকে গাছপালা, ফলফলাদি উৎপন্ন করা। এই ব্যবস্থা যদি না থাকত, তাহলে মানুষ বাঁচত কি করে?
           খ। আল্লাহ মানুষ কে দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি, অনুভব শক্তি দিয়েছেন। এর কোনটা না থাকলে মানুশের জীবনটা কি স্বাভাবিক থাকে?
    

২। আখিরাতের (পরকালের) দাওয়াতঃ
আখিরাতের দাওয়াতের ক্ষেত্রে কিয়ামতের দৃশ্যপট গুলো মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। 
              ক। মৃত্যুর পর যখন সে দেখবে পরকাল আছে। তখন সে দুনিয়াতে ফিরে যেতে চাইবে এবং আরেকবার সুযোগ সে চাইবে। তখন আর সুযোগ দেয়া হবেনা। মৃত্যুর পর কিয়ামতের আগে বারযাখ নামক একটা আবদ্ধ জায়গায় তাকে অবরুদ্ধ থাকতে হবে কিয়ামত পর্যন্ত।
               খ। শিঙ্গায় ফুঁ দেবার সাথে সাথে যখন কিয়ামত শুরু হবে, তখন সবাই একসাথে জড়ো হওয়া শুরু করবে। তখন রক্তের আত্নিয়তার সম্পর্ক কোন কাজে আসবে না। কেউ কাউকে চিনবে না। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবে।
   গ। এরপর আল্লাহর মানদণ্ডে মানুষের কাজকর্ম গুলো মাপা হবে। যার সৎ কর্মের পরিমাণ বেশি, সে জান্নাতে যাবে আর যার অসৎ কর্মের পরিমাণ বেশি সে জাহান্নামে যাবে
   ঘ। অপরাধীদের জাহান্নামে নিক্ষেপ করার পর, তাদের অপরাধ গুলো স্মরণ করিয়ে দেয়া হবে। কিভাবে তারা তাদেরকে যখন আল্লাহর আয়াত শুনান হত, তারা সেটা নিয়ে মস্করা করত। 
   ঙ। তাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে, পৃথিবীতে তোমরা কয় দিন ছিলে? তারা বলবে, এক দিন বা তার কিছু অংশ। তাদেরকে বলা হবে, তোমরা মাত্র কিছু সময় ছিলে।

৪।বাহ্যিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রশ্নের জবাবঃ

           ক। তারা সবাই একবাক্যে স্বীকার করে আল্লাহ আছেন। শুধু যে আছেন তাই নয়, তিনি সকল ক্ষমতার মালিক, আসমান ও জমিনের মধ্যকার যা কিছু আছে সব কিছুর মালিক তিনি একথাও তারা স্বীকার করে। কিন্তু আল্লাহ যে একজনই সেটা তারা স্বীকার করেনা। আল্লাহ বলেন, যদি আল্লাহ সকল কিছুর মালিক হয়ে থাকেন, সকল ক্ষমতা তার হয়ে থাকে, তাহলে বাকি ইলাহের দরকার কি? যদি একাধিক ইলাহ থাকতই তাহলে কি তাদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ দেখা যেত না? বিশ্ব জগত যে নিয়ম মেনে চলছে সেই নিয়ম মেনে কি তখন চলতে পারত?
খ। তারা বলে, কিয়ামত কিভাবে সম্ভব? আমরা মরে যাবার পর, মাটিতে মিশে যাবার পর কিভাবে আবার জীবিত করা হবে?আল্লাহ বলেন, যে আল্লাহ একবার জীবন দিতে পারেন, তিনি দ্বিতীয় বার জীবন দিতে পারেন না?
গ। যারা প্রাচুর্যশালী তারা মনে করে, তারাই দুনিয়াতে সফল ব্যক্তিত্ব, তাদের কর্মপদ্ধতিই সঠিক। তা না হলে তারা সফল হল কি করে? আল্লাহ বলেন- কক্ষনই নয়।
মুমিনদের বৈশিষ্ট্যঃ
     এই সুরার শুরুতেই এবং মধ্যভাগে মুমিনদের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্টের কথা বলা হয়েছে।
         প্রথম ভাগঃ
            ক। তারা সালাতে বিনয়াবনত থাকে।
            খ। তারা অপ্রয়জনিয় কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকে
            গ। তারা সবসময় নিজেকে reform বা সংস্কার করে। পবিত্র থাকে। যাকাত দেয়।
            ঘ। তাদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করে। ও আল্লাহর বেধে দেয়া সিমার বাইরে যায় না।
            ঙ। তাদের আমানত ও ওয়াদা রক্ষা করে।
চ। সালাতের হিফাজত করে। অর্থাৎ যথাসময়ে সালাত আদায় করে।
মধ্যভাগঃ
ক। তারা আল্লাহর ভয়ে সবসময় ভীত থাকে।
খ। আল্লাহর নিদর্শনসমূহ বিশ্বাস করে।
গ।আল্লাহ্র সাথে শরীক করে না।
ঘ। নিজের ইবাদত গুলোর ব্যাপারে সবসময় ভীত থাকে যে, এগুলো ঠিকমতো হচ্ছে কি না।
ঙ। সৎ কাজে দ্রুতগামি ও সবার আগে থাকে।

মুমিনদের এই বৈশিষ্ট্য গুলো বলার পর আল্লাহ বলেন, আল্লাহ মানুষের উপর সাধ্যাতীত কিছু চাপিয়ে দেন না। অর্থাৎ মুমিনদের এই বৈশিষ্ট্য গুলো অতিমানবীয় কোন গুণাবলী নয়। মানুষ চেষ্টা করলেই সেগুলো অর্জন করতে পারে।
৬। পূর্বেকার নবী রাসুল দের ইতিহাসঃ
     এই সুরায় মূলত জাতির নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের reply গুলো highlight করা হয়েছে। যখনি তাদের কাছে তাওহীদ ও রিসালাতের দাওয়াত গিয়েছে তারা তা প্রত্যাখান করেছে। এই বলে-
     ১। এই লোক ত আমাদের মতই মানুষ সে রাসুল হয় কি করে?
     ২। তোমরা আমার দাস। দাস হয়ে কিভাবে আমাকে তোমাদের আনুগত্য করতে বল?
     এরপর আল্লাহ তাদের কে দুনিয়াতেই কঠোর শাস্তি দিয়ে পাকড়াও করেন।
 সবশেষে আল্লাহ মুমিনদের একটা দু'আ শিখিয়ে দেন। যা হচ্ছে - "হে আল্লাহ, তুমি আমাদের ক্ষমা কর, আমাদের দয়া কর, তুমিই তো দয়াময়দের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দয়ালু।"

Thursday, September 2, 2010

uva 10137

//brr
/*
problem name:uva 10137-The Trip
author:iqbal morshed
status:accepted
runtime:012sec
algorithm:adhoc

hints:1.find the avarage value and round it to two digit after decimal(i.e.if avagrage=9.005 then round to 9.01)
2.find difference from upper value to avarage and accumulate it
3.do the same for lower value to avarage
4.print the minimum
*/
#include
#include
using namespace std;
int tc,i;
double num[10001],sum,avg,change,bigChange,smallChange;
double twoPrecision(double a);
int main()
{
//freopen("input.txt","r",stdin);
while(scanf("%d",&tc)!=EOF)
{
sum=0,change=0,bigChange=0,smallChange=0;
if(tc==0)
break;

for(i=0;iavg)
{
bigChange=bigChange+(num[i]-avg);
}
else
smallChange=smallChange+(avg-num[i]);

}
if(bigChange=5)
temp=temp+10;
temp=temp/10;
avg =(double)temp/100;
return avg;
}

Thursday, February 18, 2010

STARTING NOW

From Now, I've decided to write blog .To share my knowledge ,what i have gained .I believe one of the best way to learn is to teach . So I will try to learn and teach by writting in the blog.